PM Rojgar Yojana – বেকারদের জন্য 10 লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থ দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় সরকার। কারা কারা পাবেন দেখে নিন।

ভারত সরকার সারা দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য 1993 সালে PM Rojgar Yojana (PMRY) উদ্যোগ চালু করে। প্রধানমন্ত্রীর, রোজগার যোজনা (PMRY) শিক্ষিত বেকার দরিদ্রদের দ্বারা ক্ষুদ্র উদ্যোগ স্থাপন করে শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান প্রদানের জন্য একটি প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে। আমাদের দেশের বেকারত্বের সংখ্যা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি। প্রতি বছর নতুন করে চাকরির অভাবে আরও বেকারদের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। তাই দেশের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য নতুন উদ্যোগ তুলেছেন কেন্দ্রীয় সরকার।

Advertisement

PM Rojgar Yojana In 2023.

দিনকে দিন যেভাবে দেশে চাকরির বাজার খারাপ হয়ে পড়ছে তাতে প্রতিটি সাধারণ ছেলে মেয়ের বিশ্বাস উঠে যাচ্ছে একটা ভালো চাকরি যোগাড় করতে। যার দরুন ক্রমবর্ধমান হারে ঘটে চলেছে বেকারত্ব। এবার এই সমস্যা দূরীকরণে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিল আমাদের কেন্দ্রীয় সরকার। এর উদ্দেশ্য একটাই। বেকারত্বের পরিমাণ কমিয়ে প্রত্যেক উপযুক্ত ছেলে মেয়েকে কর্মমুখী করে তোলা। এখানে প্রধানত ব্যবসা অথবা চাকরি বাকরি করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে মোটা টাকা অর্থ সাহায্য দেওয়া হবে বেকারদের।

এই টাকা ঋণ হিসেবে পাবেন তারা। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে প্রধানমন্ত্রীর এই যোজনা বেশ প্রশংসা লাভ করেছে। কারণ অনেক ছেলে মেয়ে নিজেদের কর্মসংস্থান জোটাতে পেরেছে এর দ্বারা। তবে আপনি কেন পারবেন না? আর কারা কারাই বা পাবে? সেটা জানতে হলে আমাদের এই সংবেদনটি অবধি পরতে হবে।

Ads

কি এই যোজনা?

Advertisement

PM Rojgar Yojana বা PMRY হল কেন্দ্রীয় সরকারের একটি উল্লেখযোগ্য স্কিম। যা প্রধানত বেকারদের জন্য চালু করা হয়েছে। ১৯৯৩ সালের ১০ই অক্টোবর এই স্কিম চালু হয়। এই স্কিমের অধীনে যেকোন বেকার যুবক যুবতী অথবা মহিলা আবেদনকারী কে অর্থ সাহায্য প্রদান করে কেন্দ্রীয় সরকার।

Advertisement

উদীয়মান উদ্যোক্তারা যারা পরিষেবা বাণিজ্য অথবা উৎপাদন ক্ষেত্রে ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন তারা এই স্কিমের মাধ্যমে নিজেদের ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় মূলধন লাভ করতে পারেন। এক্ষেত্রে ঋণের মাধ্যমে আপনাকে টাকা প্রদান করা হবে। এই ঋণ আপনি গ্রহণ করতে পারবেন আপনার নিজস্ব অ্যাকাউন্ট যে ব্যাংকে আছে সেই ব্যাংক থেকেই।

Ads

বৈশিষ্ট্য

১. এই PM Rojgar Yojana স্কিমের অধীনে ঋণ নিলে থেকে 7 বছরের মধ্যে সেই দিন পরিশোধ করতে হবে পুনরায়।
২. এই PM Rojgar Yojana স্কিমটি যথাক্রমে ব্যবসা, পরিষেবা এবং শিল্প খাতের জন্য উপলব্ধ। এই সকল ক্ষেত্রে এটি 2 লক্ষ থেকে Rs. 10 লক্ষ টাকা প্রকল্প খরচ কভারেজ প্রদান করে।
৩. এই প্রকল্পের অধীনে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত আমানত-মুক্ত ঋণ পাওয়া যায়।

৪. এই স্কিমটি কৃষি এবং আনুষঙ্গিক ক্রিয়াকলাপ সহ সমস্ত অর্থনৈতিকভাবে কার্যকর ব্যবসায়ের বিকল্পগুলিকেও কভার করে। এর মধ্যে সরাসরি কৃষি কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫. এই স্কিমটির সুবিধাভোগীদের সরকার 15% ভর্তুকি প্রদান করে। ব্যক্তি প্রতি এই হিসাব দাঁড়ায় সর্বোচ্চ 100 টাকা করে। অর্থাৎ মোট 12,500 টাকা। তবে উত্তর-পূর্ব অঞ্চল, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাঞ্চল এবং জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য ভর্তুকির পরিমাণ আরো বেশি। সর্বোচ্চ 15,000 টাকা।

সুদের পরিমাণ

আপনি যদি PM Rojgar Yojana প্রকল্পের আওতায় ২৫ হাজার টাকা ঋণ নেন আপনাকে সুদ দিতে হবে ১২ শতাংশ। আবার ২৫ হাজার থেকে ১লাখ টাকা পর্যন্ত সুদের হার ১৫.৫ শতাংশ। লোনের পরিমাণ বাড়লে সাথে সাথে সুদের হারও বাড়বে।

শ্রমজীবী মানুষদের সুখবর। একাউন্টে ঢুকবে 100 দিনের কাজের টাকা।

কারা পাবেন এর সুবিধা?

১. আপনার বয়স 18 থেকে 35 বছরের মধ্যে এবং বেকার হতে হবে
২. আপনাকে অবশ্যই তফসিল জাতি বা উপজাতি বা আর্থিকভাবে অনগ্রসর শ্রেণীর একজন প্রার্থী হতে হবে।
৩. আপনার ন্যূনতম যোগ্যতা অষ্টম মানের সমতুল্য হতে হবে
৪. কমপক্ষে ৩ বছরের জন্য প্রদত্ত ঠিকানার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে

৫. আপনার পারিবারিক আয় সর্বনিম্ন হতে হবে 40,000 এবং ১ লাখ টাকা। আবেদনকারী প্রার্থী যদি একজন বিবাহিত পুরুষ হয় এবং তার স্ত্রীর কোন রোজগার থাকে তাহলে সেটিকেও পারিবারিক আয়ের মধ্যেই ধরতে হবে।
৬. এক্ষেত্রে আপনি যদি সরকারের তরফ থেকে সরাসরি অনুমোদন পান তাহলেই ঋণ নিতে পারবেন। এমনকি কোন সরকার স্বীকৃত আর্থিক প্রতিষ্ঠানও কিন্তু আপনাকে ঋণ নেওয়ার অনুমতি দিতে পারবে না।

লটারি জেতার উপায় বা Lottery Winning Tricks

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে বড় ঘোষণা সরকারের, খুশির খবর সবার জন্য।

কিভাবে আবেদন করতে হবে?

PM Rojgar Yojana তে আবেদন করার জন্য আপনাকে www.india.gov.in ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করতে হবে। ফরম পূরণ করার সময় অবশ্যইআধার কার্ড , ইনকাম সার্টিফিকেট, কাস্ট সার্টিফিকেট, ব্যবসার বিবরণ, মোবাইল নম্বর এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি ইত্যাদি ডকুমেন্টগুলি নিজের কাছে রাখতে হবে। ফর্ম ফিলাপ এবং ডকুমেন্ট আপলোড সম্পন্ন হলে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলেই আপনার আবেদনের কাজটি শেষ হবে।
Written by Nabadip Saha.

সম্পাদক

Leave a Comment

Advertisement