Post Office Investment Scheme – পোস্ট অফিসে মাত্র 67 টাকা করে জমিয়ে মেলে প্রায় 1.5 লাখের রিটার্ন। কিভাবে? দেখুন।

Post Office Investment Scheme – কম মেয়াদের বিরাট রিটার্ন পেতে আজই খুলে ফেলুন অ্যাকাউন্ট।

আজকালকার দিনে সঞ্চয় (Post Office Investment Scheme) করা একান্ত জরুরি। আর এই বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি যেমন ভরসা করেন ব্যাংকের ওপর আবার কোন ব্যক্তি ভরসা করেন পোস্ট অফিসের ওপর। এক্ষেত্রে বিনিয়োগের একাধিক দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষিত স্কিম উপস্থিত থাকলেও এখনো বহু মানুষ ভরসা করেন স্মল সেভিংস স্কিমের উপর।

Advertisement

তবে ব্যাংকের তুলনায় পোস্ট অফিসেই বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ (Post Office Investment Scheme) করতে বেশি আগ্রহ দেখা যায়। তার একটি বড় কারণ হলো সুরক্ষার সাথে বেশি সুদ। আজ আলোচনা করতে চলেছি এমন একটি স্কিম সম্বন্ধে যেটিতে কিছু সহজ বিনিয়োগে মিলবে লাখ লাখ টাকা রিটার্ন।

আজ আলোচনা করতে চলেছি রেকারিং ডিপোজিট (RD) নিয়ে। অনেকেরই রেকারিং ডিপোজিট (Post Office Investment Scheme) নিয়ে কোন ধারণা নেই। যারা জানেন না তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, রেকারিং ডিপোজিটের নিয়ম হল এতে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা করতে হয়। এটিতে যেমন প্রাপ্তবয়স্ক কোন ব্যক্তি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন, তেমনি অভিভাবকেরা শিশুদের নামে খুলতে পারবেন অ্যাকাউন্ট।

Ads

অবশেষে রাজ্যে কয়েক হাজার শূন্যপদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন

কত পরিবারে সুদ মিলছে?
বর্তমানে পোস্ট অফিসের রেকারিং ডিপোজিটে অ্যাকাউন্ট খুললে বার্ষিক ৫.৮ শতাংশ হারে মিলছে সুদ। যেকোনো ব্যাংকের ফিক্স ডিপোজিটের (Post Office Investment Scheme) তুলনায় বেশি পরিমাণে সুদ মেলে পোস্ট অফিসের রেকারিং ডিপোজিটে। শুধু তাই নয়, এই স্কিমে টাকা জমালে ত্রৈমাসিক চক্রবৃদ্ধি হারে বিনিয়োগকারীরা পাবেন সুদ।

Advertisement

কত টাকা জমালে মিলবে লাখ টাকার উপরে রিটার্ন?
বিনিয়োগকারী যদি প্রতিদিন ৬৭ টাকা অর্থাৎ মাসে ২০০০ টাকা করে বিনিয়োগ করেন সেক্ষেত্রে ৫ বছর পর তিনি পাবেন ১.২০ লক্ষ টাকা রিটার্ন। আর এখানেই রয়েছে টুইস্ট। কারণ আর পাঁচটা সাধারণ স্কিমের মত এখানে সরল সুদের হারে হয়না হিসেব। সুদ দেওয়া হয় চক্রবৃদ্ধি হারে। (Post Office Investment Scheme)

Advertisement

ব্যাংক প্রায় দেউলিয়া, আর টাকা তুলতে পারবেন না এই চারটি সরকারী ব্যাংক থেকে, আপনার টাকার কি হবে

অতিরিক্ত সুবিধা-
১) রেকারিং ডিপোজিট স্কিমে ৫ বছরের ম্যাচিউরিটি হলেও যদি কোনো কারণে বিনিয়োগকারীর হঠাৎ টাকার প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে তিনি ৩ বছর পর প্রি-ম্যাচিউরিটির সুবিধা পাবেন। (Post Office Investment Scheme)
২) কোন ব্যক্তির স্কিম চালানোর পর ১ বছর পার হলেই হঠাৎ কোনো লোনের প্রয়োজন হলে এর পরিবর্তে লোনও পেতে পারেন।

Ads

তাহলে মিলল কিনা ডবল রিটার্ন! প্রতিদিন এমন নিত্য নতুন খবরের আপডেট পেতে ফলো করতে ভুলবেন না এই ওয়েব পোর্টালটি।
Written by Manisha Basak.

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রকল্পে কর্মী নিয়োগ, বেতন 15,000 টাকা

সম্পাদক

Leave a Comment

Advertisement